জাতীয় সঙ্গীত
Date Time

প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস

বাংলাদেশ ৬৪ টি জেলার মধ্যে অন্যতম ঐতিহাসিক জেলা কিশোরগঞ্জ । অত্র জেলার ১৩টি উপজেলার মধ্যে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ভাবে খ্যাতি সম্পন্ন হাওড় বেষ্টিত উপজেলা মিঠামইন। বর্ণিত উপজেলার ৩নং ঢাকী ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী গ্রামের নাম চারিগ্রাম। অত্র গ্রামের বিশিষ্ট সমাজ সেবক, শিক্ষানুরাগী ও ধনবান ব্যক্তিতব মরহুম জনাব আব্দুল আজিজ ভূঞা কবুলপুর মৌজায় ১.৩৬ (এক একর ছত্রিশ) শতাংশ ভূমি সাফ কাওলা প্রদান করেন,গ্রামে একটি উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য। আব্দুল আজিজ ভূঞার উচ্চ বিদ্যালয়ের স্বপ্ন প্রতিষ্ঠার জন্য চারিগ্রামের কৃতি সন্তান, জনগন নন্দিত ৩নং ঢাকী ইউনিয়নের সফল চেয়ারম্যান মরহুম জনাব মোঃ জিতু ভুঞার অক্লান্ত পরিশ্রমে স্থানীয় শিক্ষানুরাগী জনাব মোঃ গাজীউর রহমান ভূঞা সহ গণ্যমান্য অনেকের সহযোগীতায় জিতু ভূঞা সাহেব নিজের সর্বশক্তি ও সামথ্য দিয়ে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন বিগত ০১/০১/১৯৮৪ ইং সনে।
উক্ত প্রস্তাবের ভিত্তিতে উপস্থি সকলে একমত পোষন করে দ্রুত একটি বালিকা বিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহন করার জন্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃআবদুল হক নুরুকে অনুরোধ করেন। পরবর্ত ীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃআবদুল হক তারঁ বড় ভাই-বোনদের সাথে পরামর্শ করেন। সাবেক মহামান্য রাষ্ট্রপতি জনাব মোঃআবদুল হামিদ মহোদয়ের সঙ্গে পরামর্শ করে পারিবারিকভাবে তাঁদের ‘মা’-এর নামে একটি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় স্থাপনের প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন।তারপর ১৯৮৪ সালের ২৭ নভেম্বর স্থানীয় জনপ্রতিনিধি,গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রয়াত এম এ গনি সাহেবের সভাপতিত্বে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয। সভায় আলোচনান্তে ও সর্বসম্মতিক্রমে ‘তমিজা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়’ নামে একটি নারীশিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এবং বিদ্যালয় স্থাপনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করার জন্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃআবদুল হককে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহনের জন্য অনুরোধ জানানো হলে মিঠামইন উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রাবাসের ১৯৮৫ শিক্ষার্বষে মাত্র ১৭ জন ছাত্রী, ৬ জন শিক্ষক ও ৩ জন কর্মচারী নিয়ে ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেনি পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে পাঠদান কার্যক্রম শুরু করেন। ১৯৮৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর নিম্নমাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় হিসেবে প্রথম স্বীকৃতি লাভ করে।

আমাদের কথা

একটি সুশৃঙ্খল, সুন্দর ও শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একটি জাতির আত্মোন্নয়নের অপরিহার্য অঙ্গ। একটি যথার্থ বিদ্যালয়ই পারে জাতির মানুষ তৈরির স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে।বিদ্যালয় হচ্ছে মানুষের জীবন গড়ে দেওয়ার কারিগর। কারণ আমরাই বিদ্যালয় থেকে শিক্ষা গত যোগ্যতা লাভ করি। এই জীবনে যারা বিদ্যালয়ের পথ হারিয়ে যায় তারা কখনোই তাদের জীবনের সঠিক পথ খুঁজে পায়না। যদি আপনার কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকে তাহলে আপনি এই পৃথিবীতে টিকে থাকতে পারবেন না। বিদ্যালয় থেকে আপনি যে জ্ঞান পাবেন আপনি সাধারন জায়গা থেকে সেই জ্ঞান পাবেন না। বিদ্যালয়ে গিয়ে শুধু যে আমরা বই থেকে শিখি তা নয় বিদ্যালয় গেলে আমরা আমাদের বর্তমান জীবন সম্পর্কে অনেক কিছু শিখি। বাংলাদেশের হাওড় অঞ্চলে যে কয়টি বিদ্যালয় এই মহান দায়িত্বকে মাথা পেতে নিয়েছে ধলাই-বগাদিয়া উচ্চ বিদ্যালয় তার মধ্যে একটি।ধলাই-বগাদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়টি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা বিভাগ কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামেইন উপজেলাধীন ধলাই-বগাদিয়া গ্রামে অবস্থিত। ধলাই-বগাদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। * নৈতিক ও মূল্যবোধভিক্তিক শিক্ষার প্রসার; * চাহিদা মাফিক ও চাকুরির যোগ্যতা অর্জনের লক্ষ্যে শিক্ষা; * পাঠ্যক্রম-এর আধুনিকায়ন * সকল স্তরে ব্যবস্থাপনা দক্ষতা উন্নয়ন; * তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার জোরদারকরণ; * সকল স্তরে শিক্ষকদের কাযকারিতা নিশ্চিতকরণ; * জেন্ডার সমতা নিশ্চিতকরণ।

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

একটি সুশৃঙ্খল, সুন্দর ও শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একটি জাতির আত্মোন্নয়নের অপরিহার্য অঙ্গ। একটি যথার্থ বিদ্যালয়ই পারে জাতির মানুষ তৈরির স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে। বাংলাদেশের হাওড় অঞ্চলে যে কয়টি বিদ্যালয় এই মহান দায়িত্বকে মাথা পেতে নিয়েছে ধলাই-বগাদিয়া উচ্চ বিদ্যালয় তার মধ্যে একটি।ধলাই-বগাদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়টি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা বিভাগ কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামেইন উপজেলাধীন ধলাই-বগাদিয়া গ্রামে অবস্থিত। এই স্কুলটির বীজ সর্বপ্রথম প্রোথিত হয়েছিল ১৯৯৯ সালে । পরবর্তীতে ২০০০ সালে স্কুল এর ব্যবস্থাপনা, শিক্ষাপদ্ধতি, নিয়মশৃঙ্খলা পরিদর্শন করে পাঠদানের অনুমতি দেন এবং ২০০৩ সালে স্কুলটি নিম্মা মাধ্যমিক পর্যায় একাডেমিক স্বীকৃতি লাভ করেন। ২০০৪ সালে নিম্ন মাধ্যমিক পর্যায়ে এমপিওভূক্ত হয় এবং ২০১২ সালে মাধ্যমিক পর্যায়ে একাডেমিক অনুমতি পেয়ে ২০১৫ সালে একাডেমিক স্বীকৃতি পায়। ২০২২ সালে মাধ্যমিক পর্যায়ে এমপিওভূক্ত হয়ে সুনামের সাথে বিদ্যালয়টি গ্রণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নীতিমালা ও ক্যারিকুলাম মেনে শিক্ষার উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচেছ। ধলাই-বগাদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। * নৈতিক ও মূল্যবোধভিক্তিক শিক্ষার প্রসার; * চাহিদা মাফিক ও চাকুরির যোগ্যতা অর্জনের লক্ষ্যে শিক্ষা; * পাঠ্যক্রম-এর আধুনিকায়ন * সকল স্তরে ব্যবস্থাপনা দক্ষতা উন্নয়ন; * তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার জোরদারকরণ; * সকল স্তরে শিক্ষকদের কাযকারিতা নিশ্চিতকরণ; * জেন্ডার সমতা নিশ্চিতকরণ।